সরাসরি প্রধান সামগ্রীতে চলে যান

পোস্টগুলি

জুন, ২০২৪ থেকে পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে

শৈশবের বিকেল

সম্পুর্ন উন্মুক্ত বিশাল মাঠে ঘাসের ওই সবুজ ডগায় ডগায় ফুটেথাকা রং বে রং এর লক্ষ লক্ষ ফুল আর ফুলকে আকৃষ্ট হয়ে বসে থাকা কতো না রংবেরঙ'য়ের প্রজাপতি ধরতে ধরতে কেটেছে আমার শৈশবের কত বিকেল। আমি তখন একটু বড়! সাইকেলের রুপালী রিং আর একটা সরু কঞ্চী নিয়ে বেরিয়ে পড়লাম। মুক্তমাঠ পেরিয়ে আবার মাঠ আমি দৌঁড়ে বেড়াই। আমার সাথে দৌঁড়ে বেড়ায় রুপোলী রঙের রিং টাও। দুপুরের রোদ পড়তেই সেই রিংটা কেমন চিকচিক করে। খাল পেরিয়ে ছোটবড় বদ্ধ জলাশয়। সেই জলাশয় পেরিয়ে কত উঁচু নিচু অসমতল ভূমি। তারপর বিশাল পাহাড় সেই পাহাড়ের বড় ওই গাছতলায় দল বেধে বিশ্রাম। আহারে আমার শৈশব! আরেকটু বড় হলে আমি পাই মাটির ঘ্রাণ। পাই বৃষ্টির ঘ্রাণ। রোদের ঘ্রাণ। কেমন যেন জ্বলজ্বলে সব অনুভূতি। এসব ব্যাখ্যা করা যায় না! আমি বুঁদ হয়ে যাই আমার ছেলেবেলায়। সেই থেকে কানে এসে বিঁধত কিছু বর্ণ, কিছু শব্দ, কিছু কথা। আমি সেই বর্ণ গুলো সংগ্রহ করে কিছু শব্দ তৈরি করলাম। এরপর বাক্যে বাক্যে সাজালাম কথা। দেখতাম একটা স্বপ্ন। ভাবতাম অন্যরকম একটি পৃথিবী। একটা বিশাল মুক্ত আকাশ। সে এক নীল বিশাল আকাশ। পৃথিবীর উপর আছড়ে পড়া খানিক রুপোলী রোদ। তারপর হঠাৎ মেঘ করে বৃষ্টি! তাও...