প্রীয় দীপান্বিতা, অবতারণিকায় স্মৃতিচারন, যে দিন দগদগে ক্ষত নিয়ে একটি গধূলি নেমেছিল অভ্রভেদী উৎপল দ্বারে, আমি সেদিন তাবু গেড়েছিলাম প্রাচীন আঁধারের হৃদপিণ্ডে। তুমি মুষ্টিবন্দী করেছিলে কিছু তমিস্রা, উন্মুক্ত কুন্তলে কৃষ্ণ অভ্র মেখে সম্মুখে এলে,দাবি করেছিলে একটি দ্যুতিময় হেম-কাব্য। অথচ নিষাদী বর্ণমালায় লেখা আমার পংক্তিগুলো ছুঁতে পারেনি তোমার কৃশানু নেত্র-যুগল। হয়তো অম্বরচুম্বিত অভিমানে বুদ হয়েছিলে সেদিন, ঈপ্সাগুলো আঁচলে বেঁধে নিঃশব্দে ছিল তোমার আয়াসী প্রস্থান। অথচ কি অদ্ভুত দেখো! আমি পারিনি সেদিন নির্দয়ভাবে ভেঙে দিতে,সহস্র-শতাব্দীকালের আমার আমি'কে, কিংবা পারিনি মুহূর্তেই চূর্ণবিচূর্ণ করে দিতে তোমার সমুন্নত অভিমানী প্রচীর। তোমার প্রস্থানে ফাটল ধরেছিল মহাকালের মস্তিষ্কে, তল্পিতল্পা গুঁটিয়ে নিয়ে সময়গুলো তুরঙ্গারোহণী, দামিনীর ন্যায় চলে গেছে তেঁপান্তরের মাঠ ছাড়িয়ে তমস্র কান্তার দিগন্তে, পেরিয়ে গেছে চব্বিশটি বছর। অথচ পিঞ্জর নিলয়ে পুষে রাখা বৈশ্বানর অর্ণবের মায়া কাটিয়ে উঠতে পারিনি আজো, লিখতে পারিনি তোমার প্রত্যাগমনের ইন্দ্রজালিক হেম-কাব্য। কেবল বুড়িয়ে যাওয়া দৃষ্টিতে ধরেছি সপ্ত-সিন্ধুর ফেনিল ...
personal story, picture, video