সরাসরি প্রধান সামগ্রীতে চলে যান

পোস্টগুলি

এপ্রিল, ২০২৩ থেকে পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে

MOTHER'S LOVE

“When you are a mother, you are never really alone in your thoughts. A mother always has to think twice, once for herself and once for her child.”

MOTHER'S LOVE

“I love my mother as trees love water and sunshine. She helps me grow, prosper, and reach great heights.”

Mother's Love

“ A mother is your first friend, your best friend, your forever friend. And When you are looking at your mother, you are looking at the purest love you will ever know.” —Charley Benetto

ইন্দ্রজাল

বয়েস- টাতো ইন্দ্রজালে মাপা, যায় কি তাকে কোন ছলে বাঁধা! মোহের বশে রসিক ফাঁসে যদি, ইন্দ্রজাল তো নেহাত ই পাগলামি। ক‍্যালেন্ডারে তারিখ রকমারি, ঘড়ির কাঁটাও ছুটে মরে খালি। আবেগ কোথাও ছায়ার মায়া দিলে , একটু খানি জিরিয়ে নেবে নাকি? মায়ার ছায়া সে তো বড়োই শীতল, হতেই পারে ছায়ার নামটা হিজল। পাখির চোখে সুখের উঁকি ঝুঁকি, বয়েস সে তো সুতোয় বাঁধা ঘুড়ি।

“For sale: baby shoes, never worn.”

এক বাক্যেও একটা গল্প হতে পারে। পৃথিবীর সবচেয়ে ছোট গল্পটা কিন্তু এক বাক্যেই লেখা। আর্নেস্ট হেমিংওয়ের লেখা গল্পটা হলো “For sale: baby shoes, never worn.” গল্পটির ভেতর একটা রহস্য লুকিয়ে আছে। বুঝলে বুঝতে হবে নিজের মতো করেই। গল্পটির ভাবার্থ -- ''বাচ্চার জন্য জুতো কেনা হয়েছিল, কিন্তু সেই বাচ্চাটা পৃথিবীর আলোই দেখেনি।''

দুই বিঘা জমি – রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর

শুধু বিঘে-দুই ছিল মোর ভুঁই, আর সবই গেছে ঋণে। বাবু বলিলেন, ‘বুঝেছ উপেন? এ জমি লইব কিনে।’ কহিলাম আমি, ‘তুমি ভূস্বামী, ভূমির অন্ত নাই – চেয়ে দেখো মোর আছে বড়জোর মরিবার মতো ঠাঁই। শুনি রাজা কহে, ‘বাপু, জানো তো হে, করেছি বাগানখানা, পেলে দুই বিঘে প্রস্থে ও দিঘে সমান হইবে টানা – ওটা দিতে হবে।’ কহিলাম তবে বক্ষে জুড়িয়া পাণি সজল চক্ষে, ‘করুন রক্ষে গরিবের ভিটেখানি। সপ্তপুরুষ যেথায় মানুষ সে মাটি সোনার বাড়া, দৈন্যের দায়ে বেচিব সে মায়ে এমনি লক্ষ্মীছাড়া!’ আঁখি করি লাল রাজা ক্ষণকাল রহিল মৌনভাবে, কহিলেন শেষে ক্রুর হাসি হেসে, ‘আচ্ছা, সে দেখা যাবে।’ পরে মাস-দেড়ে ভিটে মাটি ছেড়ে বাহির হইনু পথে – করিল ডিক্রি, সকলই বিক্রি মিথ্যা দেনার খতে। এ জগতে হায় সেই বেশি চায় আছে যার ভূরি ভূরি, রাজার হস্ত করে সমস্ত কাঙালের ধন চুরি। মনে ভাবিলাম, মোরে ভগবান রাখিবে না মোহগর্তে, তাই লিখি দিল বিশ্বনিখিল দু বিঘার পরিবর্তে। সন্ন্যাসীবেশে ফিরি দেশে দেশে হইয়া সাধুর শিষ্য – কত হেরিলাম মনোহর ধাম, কত মনোরম দৃশ্য। ভূধরে সাগরে বিজনে নগরে যখন যেখানে ভ্রমি তবু নিশিদিনে ভুলিতে পারি নে সেই দুই বিঘা জমি। হাটে মাঠে বাটে এইমত কাটে বছর পনেরো-ষ...

ছিন্ন মুকুল -সত্যেন্দ্র নাথ দত্ত

সবচেয়ে যে ছোট্ট পিঁড়িখানি সেইখানি আর কেউ রাখে না পেতে, ছোট থালায় হয় নাকো ভাত বাড়া, জল ভরে না ছোট্ট গেলাসেতে; বাড়ির মধ্যে সবচেয়ে যে ছোট খাবার বেলায় কেউ ডাকে না তাকে, সবচেয়ে যে শেষে এসেছিল তারি খাওয়া ঘুচেছে সব আগে। সবচেয়ে যে অল্পে ছিল খুশি খুশি ছিল ঘেঁষাঘেঁষির ঘরে, সেই গেছে হায়, হাওয়ার সঙ্গে মিশে দিয়ে গেছে জায়গা খালি করে। ছেড়ে গেছে পুতুল, পুঁতির মালা, ছেড়ে গেছে মায়ের কোলের দাবি; ভয়-তরাসে ছিলো যে সবচেয়ে সেই খুলেছে আঁধার ঘরের চাবি। হারিয়ে গেছে- হারিয়ে গেছে, ওরে! হারিয়ে গেছে বোল্-বলা সেই বাঁশি, হারিয়ে গেছে কচি সে মুখখানি, দুধে-ধোওয়া কচি দাঁতের হাসি। আঁচল খুলে হঠাৎ স্রোতের জলে ভেসে গেছে শিউলি ফুলের রাশি, ঢুকেছে হায় শ্মশান ঘরের মাঝে ঘর ছেড়ে তাই হৃদয় শ্মশান-বাসী। সবচেয়ে যে ছোট কাপড়গুলি, সেগুলি কেউ দেয় না মেলে ছাদে; যে শয্যাটি সবার চেয়ে ছোট আজকে সেটি শূন্যে পড়ে কাঁদে, সব-চেয়ে যে শেষে এসেছিলো সে গিয়েছে সবার আগে সরে, ছোট্ট যে জন ছিলো রে সব চেয়ে সে দিয়েছে সকল শূন্য করে।

আকুতি

বাতাসে প্রবাদ আর আকাশের আদিম ধ্রুবতারা, কিছু'ই কি কখনও আমি জপেছি তব ভালোবাসা ছাড়া? স্বার্থের পৃথিবীতে হেথা নয় কেহ- নিঃস্বার্থ বাস্তুহীন স্বপ্ন হারা, তবু শুধুই তো চাই- বুঝুক প্রেয়সী কেনো আমি এমন পাগল পারা। একবার নয় বার বার মেলেধরি সম্মুখে তোমার ওহে বন্ধু তবু চোখে কি পড়েনা? পীরানহীন এ দেহখানা আমার! আজি বিরহে বিরহে শুষ্কতা এসেছে আমার এ জলপ্রপাতে জলহীন জলকেলিতে যদিও জানি দুঃখ ও কষ্ট তুমি কুড়াবে তবু মোর শুষ্কতার কারন কভুনাহি তব ভাবনায় রাখিবে।

IF TOMORROW STARTS WITHOUT ME.

When tomorrow starts without me, And I'm not there to see, If the sun should rise and find your eyes all filled with tears for me, I wish so much you wouldn't cry The way you did today, While thinking of the many things, We didn't get to say. I know how much you love me, As much as I love you, and each time that you think of me, I know you'll miss me too. But when tomorrow starts without me, Please try to understand, That an angel came and called my name, And took me by the hand, and said my place was ready, In heaven far above, And that I'd have to leave behind All those I dearly love. But as I turned to walk away, A tear fell from my eye For all my life, I'd always thought, I didn't want to die. I had so much to live for, So much left yet to do, It seemed almost impossible, That I was leaving you. I thought of all the yesterdays The good ones and the bad, I thought of all the love we shared, and all the fun we had If I could re-live yesterday Just ...

চরকসংহিতায় বর্ণিত চিকিৎসকদের সপথবাক্য,,,, বিস্তারিত দেখতে...

চিকিৎসা বিজ্ঞানের একান্ত সাধক চিকিৎসকগণ যখন তাঁদের পেশাগত জীবনে প্রবেশ করেন তখন তাঁরা কিছু নৈতিক প্রতিজ্ঞাবন্ধনে আবদ্ধ হন। World Medical Association(WMA) এর কর্তৃক জেনেভা ডিক্লারেশনে এই শপথ বাক্যগুলো নির্ধারিত হয় এবং সময়ে সময়ে তা পরিমার্জিত হয়েছে বেশ কবার। পাশ্চাত্য বিশ্বে চিকিৎসকদের এই শপথবাক্যমালার প্রাচীনতম ও জনপ্রিয়তম উদাহরণ Hippocratic Oath যার নাম এমনকি মেডিকেল প্রফেশনের সাথে যুক্ত নন এমন লোকজনও জানেন। কিন্তু তারচেয়েও প্রায় ২শ বছরের প্রাচীন, প্রাচ্যে চিকিৎসকদের জন্য মেডিসিন বিশেষজ্ঞ ঋষি চরকের লেখা চরকসংহিতার শপথের কথা প্রায় কেউই আমরা জানিনা। 🔹খ্রিষ্টপূর্ব ৬ষ্ঠ শতকে ঋষি চরকের লেখা এই বইয়ের বিমানস্থান অংশের ৮ম অধ্যায়ের ১০-১৪ নং শ্লোকে এই শপথটি পাওয়া যায়। এস্থলের অনুচ্ছেদে তৎকালীন চিকিৎসক ঋষি আত্রেয় তাঁর ছাত্রদের শপথ করাচ্ছেন- কৃত্বা সর্বপ্রাণভৃতাং সকল প্রাণের শুভ কামনা করবে 🔹WMA এর শপথের প্রথম অনুচ্ছেদটি যদি আমরা দেখি প্রায় একইরকম রূপ দেখতে পাব- I WILL MAINTAIN the utmost respect for human লাইফ (সকল প্রাণের জন্য আমি আমার সর্বোচ্চ সম্মান বজায় রাখব) 🔹WMA এর শপথে বলা হচ্ছে-...

আমার একজন ভেঙ্গে যাওয়া মানুষ দরকার,, বিস্তারিত ক্লিক করুন।

আমার একজন ভেঙ্গে যাওয়া মানুষ দরকার । যাকে ভীষন ভালোবেসে নিমর্মভাবে ছেড়ে দিয়েছিল কেউ যাকে মিথ্যা সংসারের স্বপ্ন দেখিয়ে ছুড়ে ফেলা হয়েছিল এমনভাবে ঠিক যেমনভাবে ইচ্ছে করে কাঁচের আয়না ভেঙে গুড়িয়ে ফেলা হয় । আমার এমনই একজনকে দরকার , যে চরমভাবে ভালোবাসার কাছে ঠকে গিয়ে কেঁদে বালিশ ভিজিয়ে ক্লান্ত চোখে ঘুমিয়ে পড়তো প্রতি রাতে । ভালোবাসার বিনিময়ে যে রোজ অবহেলা গিলতো অথচ ভালোবাসা হারাবার ভয়ে পাল্টা অবহেলা ছুড়ে মারেনি কক্ষনো আমার এমন একজনকেই দরকার । আমি জানি ভেঙ্গে যাওয়া সেই মানুষটা ভালোবাসার মূল্য দিতে জানে সে জানে কিভাবে ভালোবাসাকে আগলে রাখতে হয় এক-বুক ভালোবাসা দিয়ে , তার চোখে থাকে বিশ্বাসের টলমল জল আর মুখে থাকে স্বীকৃতি দেবার ত্যাজ । আমি জানি ভেঙে যাওয়া মানুষটা আর যা-ই হোক কখনোই কাউকে ভাঙ্গবে না , ভাঙ্গতে পারে না যেমন করে তাকে ভেঙে ফেলা হয়েছিল কারণ সে বোঝে সেই জ্বালা। আমি জানি অপেক্ষা করেও সে মানুষটা বিরক্তি লুকিয়ে মুচকি হেসে বলে উঠতে পারে ভালোবাসি , ভালোবাসি , ভালোবাসি .... আমি জানি সম্পর্ক ভেঙ্গে যাবার পর মানুষ নতুন করে বাঁচতে ভুলে যায়, বিশ্বাস করতে ভুলে যায়, ভালোবাসতে ভুলে যায় সাময়িকভাবে ...

আত্মহত্যা কোন সমাধান নয় বিস্তারিত পড়তে......

শুনলাম রংপুরে একজন ডাক্তার ডিপ্রেশনের কারণে আত্মহত্যা করেছে। আজকাল সমস্যার সমাধান না হলে আত্মহত্যা করার ঘটনা প্রচুর বেড়ে গেছে। আপনার যদি কখনো মনে হয় আপনি কোনো কারণে ডিপ্রেশন এ যাচ্ছেন, তাহলে সর্বাগ্রে সেই কারণ চিহ্নিত করে কারনটাকে রিমুভ করুন। সেই কারণ আর যাই হোক আপনার জীবনের চেয়ে দামী নয়। সর্বাগ্রে নিজেকে প্রাধান্য দিন,আপনি বাঁচলে বাপের নাম। দেরী হলে আর পারবেন না, যা করার এখনি করতে হবে। ফেসবুক ব্যবহার কমান,ফেসবুকের টক্সিক স্যার, ম্যাম, বন্ধু বান্ধব আনফ্রেন্ড করুন। আমি নিজেও করেছি এটা, খুব ইফেক্টিভ মুভি/বই নিয়ে সময় কাটান। মানুষ যখন কোনো রাস্তায় শান্তি খুঁজে পায়না তখন ঈশ্বরের দ্বারস্থ হয় - আপনিও ধর্মকর্ম করে মনকে শান্ত রাখতে পারেন। মন খারাপ হলে বন্ধুদের সাথে আড্ডা দিন, বহু ডিপ্রেশ্ড দিন আমি আমার বন্ধুদের সাথে আড্ডা দিয়ে কাটিয়েছি। আমি বেঁচে আছি, আপনিও বাঁচবেন। যদি একান্তই আত্মহত্যার ইচ্ছা হয়, তাহলে আত্মহত্যা না করে সন্ন্যাস নিন। সব ছেড়ে দিন বাট বেঁচে থাকুন। সন্নাসীর জীবনে কোনো চাওয়া থাকেনা, সুতরাং আপনার আত্মহত্যার দরকার হবেনা। আত্মহত্যার কারন ই হলো "কামনা-বাসনা-ইচ্ছা- হ...

বিশ্লেষক ও বিশ্লেষণ!!

হুমায়ুন আজাদের কোন লেখাই আমি সমর্থন করি না - এক টকশোতো বলছিলেন পণ্ডিত এবং ভ্রাম্যমাণ গুগল সলিমুল্লাহ খান। কেন করেন না তাও বলেছেন। হুমায়ুন আজাদের লেখা হচ্ছে provocative. এবং সেসব লেখায় বিদ্যার কোন লেশ নেই। তাঁর লেখা যত উত্তাপ তৈরী করে তত উজ্জ্বলতা তৈরী করেনা (produces more heat than light) । সাথে যোগ করেছেন যে হুমায়ুন আজাদের লেখা দেশ, রাষ্ট্র, সমাজ সকলের জন্য ক্ষতিকর।তাঁর লেখা কোন রুচিশীল মানুষ পড়তে পারেনা। তবে এজন্য হুমায়ুন আজাদকে কোপানো যাবেনা। এই সলিমুল্লাহর দিকে একটু নজর দেওয়া যাক। তিনি দাবী করেন তিনি পৃথিবীর চারটে মহাদেশে মাস্টারি করেছেন।রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে আইনের শিক্ষক ছিলেন কিছুকাল। তারপর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আইবিএ তে শিক্ষক ছিলেন অল্পকাল। তাকে নাকি সেখান থেকে বহিষ্কার করা হয়েছিলো। কারণ জানিনা। বছর বিশেককাল যুক্তরাষ্ট্রসহ পৃথিবীর নানা দেশে পড়েছেন এবং পড়িয়েছেন। পিএইচডি করেছেন যুক্তরাষ্ট্রের The New school থেকে। এটা নিউইয়র্কের একটা প্রাইভেট ইউনিভার্সিটি যার পূর্বেকার নাম New School for Social Research. আহমদ ছফাকে ভাঙিয়ে চুরিয়ে সবজায়গায় কিছু কথা বলেন। সাথে নেন অধ্যাপক আব্দুর ...

নিঃসঙ্গ একাকীত্বের সবচেয়ে বড় উদাহরণ।

এ লোককে আমি চিনি। বাসে একা বসে আছেন। তাও আবার একা সিটে। একদম দরজার পাশে হেল্পারের জন্য যে সিটটা থাকে- সেখানে ভদ্রলোকের এক ছেলে হারিয়ে গেছে। তারপর থেকে মাথায় গোলমাল। প্রায়ই আমার কাছে আসেন, একগাদা ঔষধ লিখিয়ে নিয়ে যান। এ বাস কখন ছাড়বে স্বয়ং ঈশ্বরও বুঝি জানে না। ঢিমেতালে সব সিট ভরাট হবে, তারপর ঠেসে উঠাবে লোকজন। তিনি চাইলেই পাঁচ টাকা বেশি ভাড়া দিয়ে এর চেয়ে ভাল বাসে চড়তে পারেন। পৌঁছাবেন অনেক আগে। আসলে গিয়ে কী করবেন। এমন কোনো রাজ্যের কাজ নেই যে তার জন্য পড়ে আছে। এর চেয়ে এ ভাল। বাসযাত্রীও এক পরিচয়।আজ উনাকে দেখে মায়া লাগছে। এতদিন বিরক্ত হতাম। আমি দেখেছি সহানুভূতি যাদের সবচেয়ে বেশি প্রয়োজন- তারা সহানুভূতি চায়না। যারা চায় তাদের অতটা না হলেও চলে। মারা যাবে এমন রোগী কখনো বাঁচার আকুতি নিয়ে কান্না করে না। মনে পড়লো ভদ্রলোক এখন এসে আর ছেলে হারানোর কথা বলেন না। বলেন যে 'ঘুম হয়না', 'শরীর কাঁপে'। তিনি কারনকে সরিয়ে দিচ্ছেন। তার কাছে পৌঁছানোর সেতু ধ্বংস করে দিচ্ছেন।পুরো ফাঁকা বাসে একা সিটে বসা, একের পর এক সহযাত্রী উঠবে- কারো মুখের দিকে না চাওয়া- নিঃসঙ্গ একাকীত্বের সবচেয়ে বড় উদাহরণ। এ ঘন বাসস...

শিরোনামহীন

soumittro satta

 একরাশ পোড়া নিকোটিন উড়ে যাচ্ছে। দূর অজানায় মিলিয়ে যেতে। তারও আগে, আমি হাত বাড়িয়েছিলাম তোমার হাত ছুঁয়ে দিতে। নিকোটিন পোড়া ধোঁয়া যেভাবে শুন্যে মিলিয়ে যায়, সেভাবে হারিয়ে গেলে তুমি। এখন, পোড়া নিকোটিনের মত পুড়ে অঙ্গার হয়ে যায় আমার হৃদয়। ক'ফোটা অশ্রু ঝরে। পোড়া নিকোটিন চায় সেটাকেও শুষে নিতে। হয়তো এটাই ছিল না জেনে প্রেমে পড়ার শেষ পরিচ্ছেদ.... 😞😞 নিকোটিনের শেষে, উড়ে যাওয়া কিছু ধোয়া পরিবর্তিত হয়ে যায় সেই প্রিয়মুখটির আদলে। কখনও হয়তো দেখবো না বাস্তবে। তবুও রচি কবিতা, পোড়ে নিকোটিন। গভীর ভাবনায় মগ্ন আমি কারো আশায়…