সরাসরি প্রধান সামগ্রীতে চলে যান

পোস্টগুলি

জুন, ২০২৫ থেকে পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে

একটি সন্তানের দুই মা

১৯৯৭ সালের এপ্রিলের ২৩ তারিখ, তখন আমার বয়স চার… ঘুমভাঙা সকাল, গাছে গাছে টলমল কুয়াশা— আর আমার ছোট্ট বুক জুড়ে হাহাকার। আমি মায়ের কোলে—চুপচাপ, চোখে জল। আর বাবা দাঁড়িয়ে স্তব্ধ, বিস্ময়ে বিমূঢ়… মায়ের নিথর মুখ, নিস্তব্ধ দেহ— সেদিনই প্রথম বুঝলাম, ‘চিরতরে চলে যাওয়া’ বলতে কী বোঝায়। সেই থেকে রাতেরা নিঃস্ব হলো, বালিশ ভিজল নীরবে, মা আর আসেন না, না গল্প শুনিয়ে, না ভাতের মুঠো হাতে— সেদিনের কান্না হয়তো এখনো আমার শিরায় রয়ে গেছে বয়ে। তবু কয়েক মাস পর, এক আশার আলো ফুটে ওঠে। নতুন এক মায়ের কোলে আমি আবার আশ্রয় খুঁজি— ১৩ নভেম্বর, ১৯৯৭। সে মা ছিলেন কোমল, তিনি ছিলেন নিঃস্বার্থ। তিনি আবার আমাকে ঘুম পাড়াতেন, স্নান করাতেন, খাওয়াতেন, আগলে রাখতেন সমস্ত ক্লান্তি ও দুঃখ থেকে। আমি দুষ্টুমি করলেই বাবা বকতেন, আর মা রাগে চোখ ভিজিয়ে ফেলতেন— শুনেছি, সেই ছিল আমাদের ছোট্ট সুখের সংসার। কিন্তু সুখ তো যেন আমার জীবনে অতিথি মাত্র— একদিন উঠানে খেলছিলাম, মা তখন রান্নাঘরে ব্যস্ত। হঠাৎ এক কুকুর আমার পেছনে লেগে গেল, আমি আতঙ্কে ছুটলাম মায়ের দিকে। ভয় আর কান্নার হুলস্থুলে… গরম তরকারি আর ফুটন্ত তেল পড়ে গেল মায়ের গায়ে। তার চিৎকার, তার...

আমি ও আমার জিবনের বাস্তব গল্প।

সাল টা ১৯৯৭ এপ্রিল ২৩ বয়স ৪ বছর সকালে আমার বাবা আবিষ্কার করলো আমি আমার যে মায়ের কোলে কান্না করছি তিনি আর পৃথিবীতে নাই।ঐ বয়সে কে জানতো পরবর্তী রাতগুলো মা ছাড়া আমাকে ঘুমাতে হবে,আমার মা আর কখনওই আমাকে কোলে নেবেন না,খাইয়ে দেবেন না।কিন্তু এই দুঃখ অবসানের সুযোগ আসলো কয়েক মাসের পরে আশায় বুকবাঁধতে শুরুকরলাম অবশেষে ১৯৯১ সালের নভেম্বর ১৩ তারিখ আমার নুতন মা আমাকে আবারও কোলেতুলে নিলেন।স্নান ঘুম খাওয়া সবসময় সবটুকুতেই তিনি ছিলেন আমার চারপাশে। মাঝে মাঝে আমি যখন দুষ্টুমি করলে বাবা বকাদিতেন তখন মা খুব রাগকরতেন, এমনকি কান্নাও করতেন শুনেছি খুব সুখে ছিলাম আনন্দেও ছিলাম। জন্মটাই যেখানে আজন্ম পাপ সেখানে সুখ কি দীর্ঘস্থায়ী হয় কিনা আমার জানা নাই তবে আমারও হয়নি?একদিন সকালে মা রান্না করছিলেন আমি উঠানে খেলছিলাম হঠাৎ একটা কুকুর এসে আমাকে কামড়ে দেয় আমি ভয়পেয়ে দৌড়ে মায়ের কাছে আসতে গিয়ে জানিনা কিভাবে গরম মাত্র নামিয়েরাখা তরকারি এবং কড়াইয়ের গরম তেল মায়ের গায়ে পড়ে ঝলসে যায় আর প্রচণ্ড যন্ত্রণায় কাঁদতে দেখে ভয়ে আমি লুকিয়ে গেছিলাম খড়ের স্তুপের নিচে। পরে বাবা আমাকে খুজেপেয়ে খুবমার মেরেছিলেন দুদিন পড়েছিলাম বিছানায় প্রতিবে...