সরাসরি প্রধান সামগ্রীতে চলে যান

পোস্টগুলি

জুন, ২০২৩ থেকে পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে

আপনার কান্নার আওয়াজ শুনে যে...শান্তিতেই নিদ্রায় যেতে পারবে!

আপনার কান্নার আওয়াজ শুনে যে দুরত্ব বজায় রেখে স্থির থাকতে পেরেছে আপনার মৃত্যুর সংবাদ পেয়েও সে শান্তিতেই নিদ্রায় যেতে পারবে!

যদি কখনও হারিয়ে যাই

যদি কখনও হারিয়ে যাই, কোন অজানায়, তুমি উদাস নয়নে, বিরহী মনে, খুঁজো না আমায়। যদি কখনও মিলিয়ে যাই, দূর নিলীমায়, তুমি আমার পথপানে চেয়ে, ঝরিয়ো না অশ্রু দু’চোখ বেয়ে, থেকো না গভীর হতাশায়। যদি কখনও তলিয়ে যাই, অতল গভীরতায়, তুমি এসো না সে জল মাপতে, জীবনের এই চোরাস্রোতে, দিও না দুঃখের সাথে সায়। যদি কখনও নিভিয়ে যাই, অথৈ নিঃস্তব্ধতায়, তুমি সে লন্ঠন জ্বালিও না আবার, বুনো না স্বপ্ন সে আলোতে আর, দেখ বাচাঁর সূর্য নতুন আশায়। তুমি ভেব না প্রিয়া, আমি আছি, থাকবো বিভিন্নরুপে তোমার আশেপাশে, হয়তো মেঘ হয়ে তোমার আকাশে, হয়তো বা হৃদস্পন্দন হয়ে তোমার কাছাকাছি। আমি মিশে রব সুরভিত পুষ্পের ঘ্রাণে, ছড়িয়ে সুবাস তোমার জীবন বাগানে। আমি মিশে রব পূর্নিমার ভরা জোসনায়, ছড়াব সৌন্দর্য মোহাবিষ্ট মায়ায়। আমি মিশে রব দিগন্তজোড়া সবুজে, বুক ভরে শ্বাস নিও তুমি, আবেগে চোখ বুজে। আমি পারবো না যেতে তোমায় ছেড়ে, জীবন-মরন মুখ্য নয়, যদি নশ্বর দেহ ফেলে প্রাণ যায় উড়ে, খুঁজবো তোমার প্রাণেই আমার পরিচয়। ভাবি, এ জীবন কেন ছোট হায়, সাজাতেই যেন ফুরিয়ে যায়, তোমার সনে, অনন্তের পানে, বাচাঁর এ আশা তবু কভু...

নেই ঢাল তলোয়ার নিধীরাম সরদার। চলছে গবেষণা মহাকাশের রন্ধে রন্ধে।

নেই ঢাল তলোয়ার নিধীরাম সরদার। চলছে গবেষণা মহাকাশের রন্ধে রন্ধে।

আত্মপ্রবঞ্চক না কি অবিমৃষ্যকারী?

আমার শৈশব কৈশোর কেটেছে মফস্বলে। একটা গাঙের খুব কাছে ছিল আমাদের বাড়ি। ওই গাঙের সাথেই আমাদের শৈশব-কৈশোরের অনেক স্মৃতি বাঁধা। সেখানে স্নান করতাম, মাছ ধরতাম, জলেই চলতো নানান খেলা। কিন্তু সেই সব সুখের সাথে মিশে ছিল মনুষ্য বিষ্ঠাও। নদীর পাড় ধরে নানান জায়গায় মানুষ মল ত্যাগ করতো। অনেকের বাসার পায়খানা ছিল নদীর পাড়ে। মল সরাসরি নদীতে পড়তো। এই নদীর ঘাটেই দেখতাম মেয়েরা বাচ্চা-বুড়োদের মলমাখা কাপড় ধুতো। মরা গরু-মহিষ-ছাগল ভেসে যেতেও দেখতাম প্রায়শই। ভোরে নদীর পাড়ে দাঁড়িয়ে নৌকার গোলুইতে বসে প্রাকৃতিক কর্ম সারতে দেখেছি জেলে-মাঝিদের। এই নদীর জলেই মানুষ স্নানাদি সারতো। হিন্দু নারী-পুরুষকে এই নদীর জলে দাঁড়িয়েই স্নানান্তে সূর্যপ্রণাম করতেও দেখতাম। অনেক নারী এই নদী থেকেই কলসি করে জল তুলে নিয়ে বাসায় ফিরে যেত। অনেককে কয়লা দিয়ে দাঁত মেজে ওই পানিতেই কুলকুচি করতে দেখেছি। আমাদের বাসার কাছে একটা পুকুর ছিল। সেই পুকুরের ছিল সানবাঁধানো দুটা ঘাট। ওটিতে স্নান করতে গিয়েও দেখতাম মেয়েরা বাসার থালাবাসন যেমন ধুচ্ছে, তেমনি বাসার কাপড়চোপড় ইত্যাদিও ধুচ্ছে। এই পুকুরেও গরু-ছাগল ধোয়াইতেও দেখেছি। এমনও দেখেছি বহুবার, ভাসতে ভাসত...

ইশতেহার

************************************** ইশতেহার ************************************** পৃথিবীতে মানুষ তখনও ব্যক্তিস্বার্থে ভাগ হয়ে যায়নি । ভুমির কোনো মালিকানা হয়নি তখনো । তখনো মানুষ শুধু পৃথিবীর সন্তান । অরন্য আর মরুভূমির সমুদ্র আর পাহাড়ের ভাষা তখন আমরা জানি । আমরা ভূমিকে কর্ষন করে শস্য জন্মাতে শিখেছি । আমরা বিশল্যকরনীর চিকিৎসা জানি আমরা শীত আর উত্তাপে সহনশীল ত্বক তৈরি করেছি আমাদের শরীরের । আমরা তখন সোমরস, নৃত্য আর শরীরের পবিত্র উৎসব শিখেছি । আমাদের নারীরা জমিনে শস্য ফলায় আর আমাদের পুরুষেরা শিকার করে ঘাই হরিন। আমরা সবাই মিলে খাই আর পান করি । জ্বলন্ত আগুনকে ঘিরে সবাই আমরা নাচি আর প্রশংসা করি পৃথিবীর । আমরা আমাদের বিস্ময় আর সুন্দরগুলোকে বন্দনা করি । পৃথিবীর পূর্নিমা রাতের ঝলোমলো জ্যোৎস্নায় পৃথিবীর নারী আর পুরুষেরা পাহাড়ের সবুজ অরন্যে এসে শরীরের উৎসব করে । তখন কী আনন্দরঞ্জিত আমাদের বিশ্বাস । তখন কী শ্রমমুখর আমাদের দিনমান । তখন কী গৌরবময় আমাদের মৃত্যু । তারপর – কৌমজীবন ভেঙে আমরা গড়লাম সামন্ত সমাজ । বন্যপ্রানীর বিরুদ্ধে ব্যবহারযোগ্...

##মধ্যবিওের জীবন###

#ক্লাসের ল্যেকচারের ফাকে যখন ধনির দুলাল দুলালিরা প্রেম সাগরে বিচরন করে তখন আমাদের সারের ক্লাসে মোননিবেস করতে হয় কেননা আমাদের চোখের সামনে ভেসেথাকে বাবা- মায়ের দুঃখ কষট মাখা মুখ।মনে থাকে একটাই পন যেন বাবা-মায়ের এ দুঃখ টা ঘুচাতে পারি.......... #প্রচণ্ড গরমে ক্লাস শেষে যখন তারা এসি কারে বাসায় গিয়ে এক গ্লাস সরবতের যন্য অপেক্ষা করে। তখন তিব্র গরম আর রৌদ্রুর মধ্যে হেটে চলি বাসায় আর মনেহয় আজ ৩০ মিনিটের পথটা১০ মিনিটে শেষ হল...... #ধনী বন্ধুদের দামী মোবাইলে যখন শত শহস্র গাল ফ্রেন্ডের ফোন আসে। ঠিক সে সময় আড়াল করে রাখা আমার কমদামী মোবাইলে আসে মায়ের ফোন: বাবা কি করসিস,খেয়েছিস,দেখেশুনে পথ চলিস,তাড়াতাড়ি বাসায় এসো বাবা তোমার কথা বলছে কোথায় কি করছে!রোদেগরমে ঘুরোনা শরীর খারাপ হবে।তখন আমার কমদামি ফোনটাও যেন কোটি টাকার সমান মনে হয়.......... #সপ্তাহে একদিন একটি মাছ বাসায় এলে মা যখন মাছের মাথাটা বাবাকে দিতেযায় তখন তিনি বলেন এটা কি করছো? ওকে দাও ওর এখন খাওয়া দরকার।তখন শত না পাওয়ার মাঝেও ভালোবাসার পূর্নতায় বাচার মানেটা খুজেপাই....... #আর জীবনের প্রথম সেলারীর টাকাটা যখন মা-বাবার হাতে তুলেদেই তখন তাদের চোখজোড়া...

একদিনও অন্যরকম কিছু ঘটে না---সৌমিত্র

একদিনও অন্যরকম কিছু ঘটেনা ভালবাসার জন্যে এই শরীর আর মন পেতে বসে থাকি ধুলো মাটি মেখে বসে থাকি কুয়াসা ভেজা ঘাস মাটি আর সকাল বেলা জানে পাতা ঝরা বিকেল বেলা জানে শুধু তুমি.......? তোমার হাতে সময় কম খুব কম অবসর নিয়ে এসেছ তুমি ভালবাসা মানে কি তবে অবসর?? সব কাজ সেরে দায় দায়িত্ব সেরে যখন ফেরিঘাটে এসে পৌঁছাও তখন সিমারেখা ছুঁয়ে ফেলে আমার কাগজের নাও রোজ এমনটা ঘটে এ ম ন টা ই একদিনও অন্যরকম কিছু ঘটে না