আমার একজন ভেঙ্গে যাওয়া মানুষ দরকার ।
যাকে ভীষন ভালোবেসে নিমর্মভাবে ছেড়ে দিয়েছিল কেউ
যাকে মিথ্যা সংসারের স্বপ্ন দেখিয়ে ছুড়ে ফেলা হয়েছিল এমনভাবে ঠিক যেমনভাবে ইচ্ছে করে কাঁচের আয়না ভেঙে গুড়িয়ে ফেলা হয় ।
আমার এমনই একজনকে দরকার ,
যে চরমভাবে ভালোবাসার কাছে ঠকে গিয়ে কেঁদে বালিশ ভিজিয়ে ক্লান্ত চোখে ঘুমিয়ে পড়তো প্রতি রাতে ।
ভালোবাসার বিনিময়ে যে রোজ অবহেলা গিলতো অথচ ভালোবাসা হারাবার ভয়ে পাল্টা অবহেলা ছুড়ে মারেনি কক্ষনো আমার এমন একজনকেই দরকার ।
আমি জানি ভেঙ্গে যাওয়া সেই মানুষটা ভালোবাসার মূল্য দিতে জানে
সে জানে কিভাবে ভালোবাসাকে আগলে রাখতে হয় এক-বুক ভালোবাসা দিয়ে ,
তার চোখে থাকে বিশ্বাসের টলমল জল আর মুখে থাকে স্বীকৃতি দেবার ত্যাজ ।
আমি জানি ভেঙে যাওয়া মানুষটা আর যা-ই হোক কখনোই কাউকে ভাঙ্গবে না , ভাঙ্গতে পারে না যেমন করে তাকে ভেঙে ফেলা হয়েছিল কারণ সে বোঝে সেই জ্বালা।
আমি জানি অপেক্ষা করেও সে মানুষটা বিরক্তি লুকিয়ে মুচকি হেসে বলে উঠতে পারে ভালোবাসি , ভালোবাসি , ভালোবাসি ....
আমি জানি সম্পর্ক ভেঙ্গে যাবার পর মানুষ নতুন করে বাঁচতে ভুলে যায়, বিশ্বাস করতে ভুলে যায়, ভালোবাসতে ভুলে যায় সাময়িকভাবে
কিন্তু আবার যখন জেগে উঠে ভালোবাসে নতুন করে তখন পূর্বের চেয়ে আরো বেশি গোছালো হয়ে উঠে ।
আমার এমনই একজন ভেঙ্গে যাওয়া মানুষ দরকার
যে মিথ্যা সম্পর্কের জাল ছিড়ে বের হয়েছে শত কষ্ট নিয়ে
আমি তাকেই ভালোবাসবো আবারো ভালোবাসাবো
আমি সেই ভেঙ্গে যাওয়া মানুষটার হবো
আমি ঠিক তারই হবো.!!
আমি গড়তে জানি ভাঙ্গতে নয়....! 🥰🥰
এক দেশে ছিল দুই নারী—একজনের নাম প্রজ্ঞা, আরেকজনের নাম অহংকার। দু’জনেই একই রকম সংসারে পা রেখেছিল। একই রকম উঠোন, একই রকম মানুষের ভিড়, একই রকম হাসি-কান্না। কিন্তু সময়ের সাথে তাদের পথ আলাদা হয়ে গেল। প্রজ্ঞা বুঝেছিল, সংসার আসলে একটা রাজ্য। এ রাজ্যের রাজা শুধু একজন মানুষ নয়—এখানে শ্বশুরের সম্মান, শাশুড়ির মুখের হাসি, স্বামীর পরিশ্রম, ভাইবোনের সম্পর্ক—সব মিলেই রাজ্যের ভিত্তি। তাই সে নিজের হাতে সংসারের ভাঙা দেয়ালে রঙ করেছে, ক্লান্ত মানুষদের কপালে স্নেহের জল ছুঁইয়ে দিয়েছে, স্বামীর ছোট সাফল্যকেও মানুষের সামনে গর্ব করে বলেছে। লোকেরা ধীরে ধীরে বলতে শুরু করল— “কি সুন্দর পরিবার!” “কি ভদ্র ছেলে!” “কি সম্মানিত মানুষ!” আর সেই প্রশংসার আলো যখন পুরো পরিবারকে আলোকিত করল, তখন অজান্তেই প্রজ্ঞার মাথাতেও মুকুট উঠে এলো। কারণ মানুষ জানে— যে নারী একটি পরিবারকে সম্মানের আসনে বসাতে পারে, সে নিজেও সম্মানের যোগ্য। রাজ্য বড় হলে রানীর মর্যাদাও বড় হয়। অন্যদিকে অহংকার প্রতিদিন নিজের ঘরের মানুষদের ছোট করত। স্বামীর ব্যর্থতা নিয়ে মানুষের সামনে হাসত, শ্বশুরবাড়ির দোষ গল্পের মতো ছড়িয়ে বেড়াত, সম্পর্কের ক্ষতগুলোকে আড়াল না করে...

মন্তব্যসমূহ
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন