#ক্লাসের ল্যেকচারের ফাকে যখন ধনির দুলাল দুলালিরা প্রেম সাগরে বিচরন করে তখন আমাদের সারের ক্লাসে মোননিবেস করতে হয় কেননা আমাদের চোখের সামনে ভেসেথাকে বাবা- মায়ের দুঃখ কষট মাখা মুখ।মনে থাকে একটাই পন যেন বাবা-মায়ের এ দুঃখ টা ঘুচাতে পারি..........
#প্রচণ্ড গরমে ক্লাস শেষে যখন তারা এসি কারে বাসায় গিয়ে এক গ্লাস সরবতের যন্য অপেক্ষা করে। তখন তিব্র গরম আর রৌদ্রুর মধ্যে হেটে চলি বাসায় আর মনেহয় আজ ৩০ মিনিটের পথটা১০ মিনিটে শেষ হল......
#ধনী বন্ধুদের দামী মোবাইলে যখন শত শহস্র গাল ফ্রেন্ডের ফোন আসে। ঠিক সে সময় আড়াল করে রাখা আমার কমদামী মোবাইলে আসে মায়ের ফোন: বাবা কি করসিস,খেয়েছিস,দেখেশুনে পথ চলিস,তাড়াতাড়ি বাসায় এসো বাবা তোমার কথা বলছে কোথায় কি করছে!রোদেগরমে ঘুরোনা শরীর খারাপ হবে।তখন আমার কমদামি ফোনটাও যেন কোটি টাকার সমান মনে হয়..........
#সপ্তাহে একদিন একটি মাছ বাসায় এলে মা যখন মাছের মাথাটা বাবাকে দিতেযায় তখন তিনি বলেন এটা কি করছো? ওকে দাও ওর এখন খাওয়া দরকার।তখন শত না পাওয়ার মাঝেও ভালোবাসার পূর্নতায় বাচার মানেটা খুজেপাই.......
#আর জীবনের প্রথম সেলারীর টাকাটা যখন মা-বাবার হাতে তুলেদেই তখন তাদের চোখজোড়া বন্যায় প্লাবিত দেখতে পাই তখন মনে হয় কটা কাগজের নোট নয় পুরা পৃথিবীর সুখ যেন তাদের হাতের মুঠায় এনেছি........
#আর তখনঐ নিজের অজান্তে কখন জানি শ্রষ্ঠার কাছে চেয়ে বসি পরজন্মেও যেন এই মধ্যবিও মা-বাবার কোলে আসতে পারি..........
#আর কি লাগে?কয় জন ধনীর দুলাল দুলালী পারে তাদের মা-বাবাকে এ ভাবে কাদাতে? কয়জন পারে চোখের জলে নিজের জীবনকে পবিত্র করতে.........
এক দেশে ছিল দুই নারী—একজনের নাম প্রজ্ঞা, আরেকজনের নাম অহংকার। দু’জনেই একই রকম সংসারে পা রেখেছিল। একই রকম উঠোন, একই রকম মানুষের ভিড়, একই রকম হাসি-কান্না। কিন্তু সময়ের সাথে তাদের পথ আলাদা হয়ে গেল। প্রজ্ঞা বুঝেছিল, সংসার আসলে একটা রাজ্য। এ রাজ্যের রাজা শুধু একজন মানুষ নয়—এখানে শ্বশুরের সম্মান, শাশুড়ির মুখের হাসি, স্বামীর পরিশ্রম, ভাইবোনের সম্পর্ক—সব মিলেই রাজ্যের ভিত্তি। তাই সে নিজের হাতে সংসারের ভাঙা দেয়ালে রঙ করেছে, ক্লান্ত মানুষদের কপালে স্নেহের জল ছুঁইয়ে দিয়েছে, স্বামীর ছোট সাফল্যকেও মানুষের সামনে গর্ব করে বলেছে। লোকেরা ধীরে ধীরে বলতে শুরু করল— “কি সুন্দর পরিবার!” “কি ভদ্র ছেলে!” “কি সম্মানিত মানুষ!” আর সেই প্রশংসার আলো যখন পুরো পরিবারকে আলোকিত করল, তখন অজান্তেই প্রজ্ঞার মাথাতেও মুকুট উঠে এলো। কারণ মানুষ জানে— যে নারী একটি পরিবারকে সম্মানের আসনে বসাতে পারে, সে নিজেও সম্মানের যোগ্য। রাজ্য বড় হলে রানীর মর্যাদাও বড় হয়। অন্যদিকে অহংকার প্রতিদিন নিজের ঘরের মানুষদের ছোট করত। স্বামীর ব্যর্থতা নিয়ে মানুষের সামনে হাসত, শ্বশুরবাড়ির দোষ গল্পের মতো ছড়িয়ে বেড়াত, সম্পর্কের ক্ষতগুলোকে আড়াল না করে...

মন্তব্যসমূহ
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন