আমি অবুঝ পুরুষ,তাই বার বার
ভুল, করে, তোমার; প্রেমের, কাছে নিজেকে দেই, বির্সজন;
এক বার নয়,দুই বার নয়
সহস্র বার চেষ্টা করেছি
তোমার থেকে দূরে দূরে থাকতে
কিন্তু পারিনি,
কামনাময়ী সর্ব অঙ্গ,নেশাময় চোখ
মাতাল করা ঠোঁট,আমায় ডেকেছে
আর আমি উন্মাদনা করতে শান্ত
চুষে নিয়েছি তৃপ্ত প্রেমও মধুরস।
তখনো বুঝিনি তোমার ছলাকলা
নিপুণ অভিনয়ে মুগ্ধ করে এ অন্তর
ভাসাবে নয়ন জলে।
তুমি ভালবাসার নামে মিথ্যে ছলনায় ভেঙেছ হৃদয়।
এখন, আ;মি বিষাক্ত; সা;পকে বিশ্বাস করে গলার, মালা; করতে পারি
কিন্তু ছলনাময়ী তোমাকে নয়।
তুমি আমার বিশ্বাস করেছ নষ্ট
দিনে দিনে দিয়েছ শুধু কষ্ট আর কষ্ট।
স্বার্থ লোভী নারী তুমি,
নিজ স্বার্থ নিয়ে গিয়েছ চলে
ভালবাসার নামে কেন করলে অভিনয়?
পুরুষের জীবন ধ্বংসের এক মাত্র
হাতিয়ার হলো ছলনাময়ী নারী।
তুমি পার,ভালবাসার স্পর্শে
রাঙাতে মন।
তুমি পার,প্রেমের প্লাবনে
অভিনয়ে নষ্ট করতে,পুরুষের জীবন।
নিজ প্রয়োজনে তুমি পার
দেহের মঞ্চ খুলে,প্রয়োজন মেটাতে।
তুমি যে বহুরূপে রূপবতী
তোমার রূপের নেই সীমারেখা,
আমি নিত্য;দিন অপলক, নয়নে দেখেছি; তোমার রূপ ;
মুক্তঝরা হাসি হাসতে দেখি
মুহূর্তেই দেখি নয়ন জলে ভাসতে,
কখনো দেখি প্রতিহিংসায়
ধ্বংসের খেলায় মাততে;
আমি অনেক শিখেছি শুধু তোমায় দেখে,
তুমি পার না,এমন কি আছে এ ভূবনে?
তুমি সব পার, শুধু চাইলেই পার
কোন রূপ আছে!
যে রূপে তুমি নিজেকে সাজাতে পার না?
তুমি পার, হ্যাঁ তুমি পর
নিজ প্রয়োজনে তুমি সব’ই পার।
এক দেশে ছিল দুই নারী—একজনের নাম প্রজ্ঞা, আরেকজনের নাম অহংকার। দু’জনেই একই রকম সংসারে পা রেখেছিল। একই রকম উঠোন, একই রকম মানুষের ভিড়, একই রকম হাসি-কান্না। কিন্তু সময়ের সাথে তাদের পথ আলাদা হয়ে গেল। প্রজ্ঞা বুঝেছিল, সংসার আসলে একটা রাজ্য। এ রাজ্যের রাজা শুধু একজন মানুষ নয়—এখানে শ্বশুরের সম্মান, শাশুড়ির মুখের হাসি, স্বামীর পরিশ্রম, ভাইবোনের সম্পর্ক—সব মিলেই রাজ্যের ভিত্তি। তাই সে নিজের হাতে সংসারের ভাঙা দেয়ালে রঙ করেছে, ক্লান্ত মানুষদের কপালে স্নেহের জল ছুঁইয়ে দিয়েছে, স্বামীর ছোট সাফল্যকেও মানুষের সামনে গর্ব করে বলেছে। লোকেরা ধীরে ধীরে বলতে শুরু করল— “কি সুন্দর পরিবার!” “কি ভদ্র ছেলে!” “কি সম্মানিত মানুষ!” আর সেই প্রশংসার আলো যখন পুরো পরিবারকে আলোকিত করল, তখন অজান্তেই প্রজ্ঞার মাথাতেও মুকুট উঠে এলো। কারণ মানুষ জানে— যে নারী একটি পরিবারকে সম্মানের আসনে বসাতে পারে, সে নিজেও সম্মানের যোগ্য। রাজ্য বড় হলে রানীর মর্যাদাও বড় হয়। অন্যদিকে অহংকার প্রতিদিন নিজের ঘরের মানুষদের ছোট করত। স্বামীর ব্যর্থতা নিয়ে মানুষের সামনে হাসত, শ্বশুরবাড়ির দোষ গল্পের মতো ছড়িয়ে বেড়াত, সম্পর্কের ক্ষতগুলোকে আড়াল না করে...

মন্তব্যসমূহ
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন