দিন থেকে দিনান্তে জিবনের ঘানি টানতে টানতে মানুষ যখন ক্লান্ত,মান্ধাতার আমলের কৃষিতে ঠিক সে সময় সামান্য পরিবর্তন নিয়ে এলেন সৌমিত্র নামের এই তরুন উদ্যোক্তা।কোম্পানির একটি ছোট্ট চাকুরী করে মোটামুটি জিবন চলে,তার পরও নিজের জমানো সামান্য অর্থে ঝিনাইদহ এর কালিগঞ্জ উপজেলায় প্রান্তিক চারজনের কৃষক দল গঠন করে ১ একর জমি লীজ নিয়ে বিনিয়োগ করেন ফুল চাষে।তবে গতানুগতিক নিয়মের চাষথেকে বেরিয়ে একটু ভিন্নভাবে ভিন্নধাচে করেন গাঁদা ফুলের চাষ ফলনও হচ্ছে বাম্পার। চাষিরা খুব খুশি তাদের ফুলের রুপে গুনে ও ফলনে যদিও প্রাথমিক অবস্হায় তাদের খরচটা গতানুগতিক চাষের চেয়ে ২০% বেশি কিন্তু বর্তমানে সার কীটনাশক ও সেচ কম লাগায় খরচ গতানুগতিক চাষের চেয়ে ৪০% কমে আসছে যার ফলে কৃষকগোষ্ঠী সৌমিত্র এর এই চাষপদ্ধতিকে মডেল চাষ পদ্ধতি হিসাবে গ্রহন করছে। এই বর্ষা মৌসুমে কমহলেও ১৫ থেকে ২০ একর জমিতে হতেচলেছে এই মডেল চাষ পদ্ধতি।
এক দেশে ছিল দুই নারী—একজনের নাম প্রজ্ঞা, আরেকজনের নাম অহংকার। দু’জনেই একই রকম সংসারে পা রেখেছিল। একই রকম উঠোন, একই রকম মানুষের ভিড়, একই রকম হাসি-কান্না। কিন্তু সময়ের সাথে তাদের পথ আলাদা হয়ে গেল। প্রজ্ঞা বুঝেছিল, সংসার আসলে একটা রাজ্য। এ রাজ্যের রাজা শুধু একজন মানুষ নয়—এখানে শ্বশুরের সম্মান, শাশুড়ির মুখের হাসি, স্বামীর পরিশ্রম, ভাইবোনের সম্পর্ক—সব মিলেই রাজ্যের ভিত্তি। তাই সে নিজের হাতে সংসারের ভাঙা দেয়ালে রঙ করেছে, ক্লান্ত মানুষদের কপালে স্নেহের জল ছুঁইয়ে দিয়েছে, স্বামীর ছোট সাফল্যকেও মানুষের সামনে গর্ব করে বলেছে। লোকেরা ধীরে ধীরে বলতে শুরু করল— “কি সুন্দর পরিবার!” “কি ভদ্র ছেলে!” “কি সম্মানিত মানুষ!” আর সেই প্রশংসার আলো যখন পুরো পরিবারকে আলোকিত করল, তখন অজান্তেই প্রজ্ঞার মাথাতেও মুকুট উঠে এলো। কারণ মানুষ জানে— যে নারী একটি পরিবারকে সম্মানের আসনে বসাতে পারে, সে নিজেও সম্মানের যোগ্য। রাজ্য বড় হলে রানীর মর্যাদাও বড় হয়। অন্যদিকে অহংকার প্রতিদিন নিজের ঘরের মানুষদের ছোট করত। স্বামীর ব্যর্থতা নিয়ে মানুষের সামনে হাসত, শ্বশুরবাড়ির দোষ গল্পের মতো ছড়িয়ে বেড়াত, সম্পর্কের ক্ষতগুলোকে আড়াল না করে...





মন্তব্যসমূহ
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন