১। প্রয়োজন ছাড়া তীব্র তাপদাহে বাইরে বের না হওয়াই ভালো। বেরোলেও সরাসরি রোদ এড়িয়ে চলতে চেষ্টা করতে হবে। বেলা ১১টা থেকে ৩টা পর্যন্ত রোদের প্রকোপ সবচেয়ে বেশি থাকে।
২। সব সময় রোদচশমা, ছাতা, টুপি ইত্যাদি সাথে রাখতে হবে। প্রয়োজনে সানমাস্ক ব্যবহার করা যেতে পারে।
৩। পাতলা, ঢিলেঢালা হালকা রঙের সুতি পোশাক পরিধান করতে হবে।
৪। বাইরে বের হওয়ার সময় বিশুদ্ধ খাবার পানির বোতল সাথে রাখতে হবে। বাসায় বানানো ফলের জুস ও লাচ্ছি রাখা যেতে পারে। এগুলো শরীরকে আর্দ্র রাখে।
৫। তীব্র তাপদাহে বাইরের খাবার যথাসম্ভব এড়িয়ে চলতে হবে, কারণ পানিবাহিত রোগের প্রকোপ এ সময় বেড়ে যায়। এ সময় প্রকৃতিতে রোগজীবাণু বহনকারী ক্ষতিকর পোকামাকড়ের উপদ্রবও বাড়ে।
৬। উচ্চ প্রোটিনযুক্ত খাবারের পরিবর্তে বেশি করে শাক-সবজি, ফলমূল ও আঁশ জাতীয় খাবার প্রতিদিনের খাদ্য তালিকায় রাখতে হবে।
৭। প্রতিদিন অবশ্যই গোসল করতে হবে। বাইরে থেকে এসে ভেজা সুতি কাপড় দিয়ে শরীরের ঘাম মুছে নিতে হবে। কারণ ঘাম শরীরে শুকিয়ে এ সময় চর্মরোগ হতে পারে।
৮। ঘর-বাড়িতে যাতে স্বাভাবিকভাবে বাতাস চলাচল করতে পারে তাই সম্ভব হলে দরজা-জানালা খুলে দিয়ে ক্রস ভেন্টিলেশনের ব্যবস্থা করা যেতে পারে।
৯। বাইরের গরম থেকে এসে যথাসম্ভব বিশ্রাম নিতে হবে এবং পর্যাপ্ত পরিমাণে পানি বা শরবত পান করতে হবে।
১০। তীব্র গরমে কেউ অসুস্থ হয়ে গেলে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে হবে।
এক দেশে ছিল দুই নারী—একজনের নাম প্রজ্ঞা, আরেকজনের নাম অহংকার। দু’জনেই একই রকম সংসারে পা রেখেছিল। একই রকম উঠোন, একই রকম মানুষের ভিড়, একই রকম হাসি-কান্না। কিন্তু সময়ের সাথে তাদের পথ আলাদা হয়ে গেল। প্রজ্ঞা বুঝেছিল, সংসার আসলে একটা রাজ্য। এ রাজ্যের রাজা শুধু একজন মানুষ নয়—এখানে শ্বশুরের সম্মান, শাশুড়ির মুখের হাসি, স্বামীর পরিশ্রম, ভাইবোনের সম্পর্ক—সব মিলেই রাজ্যের ভিত্তি। তাই সে নিজের হাতে সংসারের ভাঙা দেয়ালে রঙ করেছে, ক্লান্ত মানুষদের কপালে স্নেহের জল ছুঁইয়ে দিয়েছে, স্বামীর ছোট সাফল্যকেও মানুষের সামনে গর্ব করে বলেছে। লোকেরা ধীরে ধীরে বলতে শুরু করল— “কি সুন্দর পরিবার!” “কি ভদ্র ছেলে!” “কি সম্মানিত মানুষ!” আর সেই প্রশংসার আলো যখন পুরো পরিবারকে আলোকিত করল, তখন অজান্তেই প্রজ্ঞার মাথাতেও মুকুট উঠে এলো। কারণ মানুষ জানে— যে নারী একটি পরিবারকে সম্মানের আসনে বসাতে পারে, সে নিজেও সম্মানের যোগ্য। রাজ্য বড় হলে রানীর মর্যাদাও বড় হয়। অন্যদিকে অহংকার প্রতিদিন নিজের ঘরের মানুষদের ছোট করত। স্বামীর ব্যর্থতা নিয়ে মানুষের সামনে হাসত, শ্বশুরবাড়ির দোষ গল্পের মতো ছড়িয়ে বেড়াত, সম্পর্কের ক্ষতগুলোকে আড়াল না করে...

মন্তব্যসমূহ
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন