ভালোবাসার নামে বিষ এগুলো! জোর করে অতিরিক্ত খাওয়ানোর পরিণতি কতটা ভয়ংকর হতে পারে, জানেন?
আমরা সন্তানকে ভালোবাসি। তার ভালো চাই বলেই তার মুখে এক চামচ আরেক চামচ খাবার তুলে দিই। কখনো সে না চাইলে মুখ জোর করে খুলে দিই, চোখ রাঙিয়ে বলি, “না খেলে বড় হবে কী করে?” কিন্তু জানি কি, এই ভালোবাসার চাপে, আদরের নামে কখনো কখনো মৃ**ত্যুও এসে যেতে পারে?
সম্প্রতি এই হৃদয়বিদারক ঘটনা চোখে পড়েছে। অসুস্থ অবস্থায় একটি ছোট্ট শিশু হাসপাতালে আনা হয়। কিন্তু কিছুই করার ছিল না। চিকিৎসক জানান, অতিরিক্ত খাবার খাওয়ানোর কারণেই শিশুটির মৃ**ত্যু হয়েছে।
ভাবা যায়?
আমার বুক ফেটে কান্না আসছে এটা দেখে!😔😔
শিশুর শরীর ছোট, হজমক্ষমতা সীমিত। তারা যখন না খেতে চায়, অনেক সময় শরীর নিজেই সংকেত দেয়,আমি এখন নিতে পারছি না। কিন্তু আমরা বড়রা সেই সংকেত বুঝতে না পেরে নিজেদের চিন্তাধারাই চাপিয়ে দিই। যেন না খেলে সে অপুষ্টিতে ভুগবে, দুর্বল হয়ে পড়বে, অথচ অতিরিক্ত খাওয়ানো যে আরও বড় বিপদ ডেকে আনতে পারে, সেটা ভুলেই যাই।
মনে রাখবেন,অতিরিক্ত খাওয়ানোর ফলে বমি ও শ্বাসকষ্ট হতে পারে!!জোর করে খাওয়ালে খাবার শ্বাসনালিতে ঢুকে যেতে পারে।
পেটের অস্বস্তি ও ফোলাভাব, গ্যাস হয় যা শিশু বুঝিয়ে বলতে পারে না, কিন্তু কষ্ট পায়!!
আমার পেজে অনেক মা আছেন,আমি রিকোয়েস্ট করছি প্লিজ শিশু না চাইলে জোর করবেন না।
বাচ্চার স্বাভাবিক খাওয়ার ইচ্ছাকে সম্মান জানাবেন!!
আর বাচ্চার খাবার কখনো পরিমাণে নয়,পুষ্টিতে গুরুত্ব দিবেন সবসময়!!
অবশ্যই খেয়াল রাখবেন,খাওয়ানোটা যেন খেলার মতো মজা হয়, ভয়ের নয়!!
আমাদের সন্তানের সুস্থতা আমাদের সচেতনতার ওপরই নির্ভর করে। আদর করুন, খেয়াল রাখুন, কিন্তু কখনোই ভালোবাসার নামে তার ক্ষতি করে ফেলবেন না।
এক দেশে ছিল দুই নারী—একজনের নাম প্রজ্ঞা, আরেকজনের নাম অহংকার। দু’জনেই একই রকম সংসারে পা রেখেছিল। একই রকম উঠোন, একই রকম মানুষের ভিড়, একই রকম হাসি-কান্না। কিন্তু সময়ের সাথে তাদের পথ আলাদা হয়ে গেল। প্রজ্ঞা বুঝেছিল, সংসার আসলে একটা রাজ্য। এ রাজ্যের রাজা শুধু একজন মানুষ নয়—এখানে শ্বশুরের সম্মান, শাশুড়ির মুখের হাসি, স্বামীর পরিশ্রম, ভাইবোনের সম্পর্ক—সব মিলেই রাজ্যের ভিত্তি। তাই সে নিজের হাতে সংসারের ভাঙা দেয়ালে রঙ করেছে, ক্লান্ত মানুষদের কপালে স্নেহের জল ছুঁইয়ে দিয়েছে, স্বামীর ছোট সাফল্যকেও মানুষের সামনে গর্ব করে বলেছে। লোকেরা ধীরে ধীরে বলতে শুরু করল— “কি সুন্দর পরিবার!” “কি ভদ্র ছেলে!” “কি সম্মানিত মানুষ!” আর সেই প্রশংসার আলো যখন পুরো পরিবারকে আলোকিত করল, তখন অজান্তেই প্রজ্ঞার মাথাতেও মুকুট উঠে এলো। কারণ মানুষ জানে— যে নারী একটি পরিবারকে সম্মানের আসনে বসাতে পারে, সে নিজেও সম্মানের যোগ্য। রাজ্য বড় হলে রানীর মর্যাদাও বড় হয়। অন্যদিকে অহংকার প্রতিদিন নিজের ঘরের মানুষদের ছোট করত। স্বামীর ব্যর্থতা নিয়ে মানুষের সামনে হাসত, শ্বশুরবাড়ির দোষ গল্পের মতো ছড়িয়ে বেড়াত, সম্পর্কের ক্ষতগুলোকে আড়াল না করে...

মন্তব্যসমূহ
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন