১। টক্সিক কালচার ও অফিস পলিটিক্সঃ
প্রতিনিয়ত পার্সোনাল অ্যাটাক, বডি শেমিং, মানসিক টর্চার, ব্ল্যাকমেইল, গালমন্দ করা, বাজে বিহেব হলে আপনি জব ছাড়তে পারেন।
তবে কাজ নিয়ে মত পার্থক্য বা ভুল ত্রুটি হলে শাসন এগুলা ভালো কালচার। এগুলোকে পার্সোনালি নেয়া যাবে না।
২। সময়মতো বেতন না পাওয়াঃ
২-৩ মাস বেতন দিতে না পারলে, সেখান থেকে বেটার অপশন খোজা ভালো।
৩। ক্যারিয়ার গ্রোথের সুযোগ না থাকা
১১১১ দিন বা আড়াই থেকে ৩ বছরে ক্যারিয়ারে গ্রোথ না আসলে বিকল্প ভাবা উচিৎ।
৪। অস্বাস্থ্যকর ওয়ার্ক-লাইফ ব্যালেন্স
অফিসে প্রতিদিনই রাত ৯টা ১০টা বেজে যাচ্ছে। সেক্ষেত্রে জব সুইচ নিয়ে ভাবা যেতে পারে।
৫। নৈতিকতা বিরোধী কাজ করতে বাধ্য করা
ঘুষ, প্রতারণা, ভুয়া রিপোর্ট বানানো বা অনৈতিক নির্দেশ মেনে চলতে বাধ্য করা।
৬। ম্যানেজমেন্টের দুর্বলতা ও অযোগ্য নেতৃত্ব
সিদ্ধান্তহীনতা, পক্ষপাতিত্ব, এবং কর্মীদের মতামত উপেক্ষা করা।
৭। অনিরাপদ বা ঝুঁকিপূর্ণ কাজের পরিবেশ
শারীরিক বা মানসিক দিক থেকে ক্ষতিকর বা নিরাপত্তাহীন পরিবেশে কাজ করতে বাধ্য হওয়া।
৮। কাজের মূল্যায়ন না হওয়া ও স্বীকৃতি না পাওয়া
প্রচুর শ্রম দেওয়ার পরও কোনো স্বীকৃতি বা প্রশংসা না পাওয়া।
৯। প্রতিশ্রুতি ভঙ্গ ও চাকরির স্থায়িত্ব নিয়ে অনিশ্চয়তা
চাকরি দেওয়ার সময় বলা সুবিধাগুলো না দেওয়া, কোম্পানির ভবিষ্যৎ অনিশ্চিত হওয়া।
১০। ব্যক্তিগত মূল্যবোধ ও প্রতিষ্ঠানের সংস্কৃতির মধ্যে সাংঘর্ষিক অবস্থা
নিজের বিশ্বাস, ধর্ম, পোশাক, বা আদর্শের কারণে অসম্মানিত বা অবহেলিত বোধ করা।
(এর ভেতরে অনেকগুলো পয়েন্ট আছে, জয়েন করার আগে চেক করা যায়, আমরা সেটা করতে চেষ্টা করবো)
একজন মানুষের ক্যারিয়ার ২৫-৬৫ বছরের (৪০ বছর সময়কাল) একটা লম্বা জার্নি। এই ৪০ বছরে আপনি ৪-৫টা জব করতে পারেন।
যেটা হেলদি প্র্যাকটিস। তবে হ্যা, ক্যারিয়ারে ভুল হতেই পারে। তবে, একই ভুল যদি ১০ বছরে ৫ বার হয়ে যায়, তাহলে আপনি আসলে পরিপক্ব নন।
এগুলো জিনিস একটু মাথায় রাখতে হবে। পোস্টটা ভালো লাগলে শেয়ার করে দিবেন, কোন মতামত থাকলে কমেন্টে জানাবেন।
এক দেশে ছিল দুই নারী—একজনের নাম প্রজ্ঞা, আরেকজনের নাম অহংকার। দু’জনেই একই রকম সংসারে পা রেখেছিল। একই রকম উঠোন, একই রকম মানুষের ভিড়, একই রকম হাসি-কান্না। কিন্তু সময়ের সাথে তাদের পথ আলাদা হয়ে গেল। প্রজ্ঞা বুঝেছিল, সংসার আসলে একটা রাজ্য। এ রাজ্যের রাজা শুধু একজন মানুষ নয়—এখানে শ্বশুরের সম্মান, শাশুড়ির মুখের হাসি, স্বামীর পরিশ্রম, ভাইবোনের সম্পর্ক—সব মিলেই রাজ্যের ভিত্তি। তাই সে নিজের হাতে সংসারের ভাঙা দেয়ালে রঙ করেছে, ক্লান্ত মানুষদের কপালে স্নেহের জল ছুঁইয়ে দিয়েছে, স্বামীর ছোট সাফল্যকেও মানুষের সামনে গর্ব করে বলেছে। লোকেরা ধীরে ধীরে বলতে শুরু করল— “কি সুন্দর পরিবার!” “কি ভদ্র ছেলে!” “কি সম্মানিত মানুষ!” আর সেই প্রশংসার আলো যখন পুরো পরিবারকে আলোকিত করল, তখন অজান্তেই প্রজ্ঞার মাথাতেও মুকুট উঠে এলো। কারণ মানুষ জানে— যে নারী একটি পরিবারকে সম্মানের আসনে বসাতে পারে, সে নিজেও সম্মানের যোগ্য। রাজ্য বড় হলে রানীর মর্যাদাও বড় হয়। অন্যদিকে অহংকার প্রতিদিন নিজের ঘরের মানুষদের ছোট করত। স্বামীর ব্যর্থতা নিয়ে মানুষের সামনে হাসত, শ্বশুরবাড়ির দোষ গল্পের মতো ছড়িয়ে বেড়াত, সম্পর্কের ক্ষতগুলোকে আড়াল না করে...

মন্তব্যসমূহ
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন